কেরাণীগঞ্জের আগনগরস্থ বূড়ীগঙ্গায় ট্রলারডুবি : নিখোঁজ ৫০ প্রায়

মিডিয়াতে শেয়ার করুন
Share

Please enter banners and links.

মুহাম্মাদ আদিল রহমান-
কেরাণীগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম।

কেরাণীগঞ্জ আগানগরস্থ বূড়ীগঙ্গা নদীতে রাতের আধারে অতিরিক্ত যাত্রী বাহী ট্রলার ডুবি,শতাধিক যাত্রীর কিছু সংখ্যক তীরে উঠতে পারলেও অর্ধ-শতাধিক নিখোঁজ রয়েছে।যাত্রীদের মতে নিখোঁজ সংখ্যা শতাধিক হবে।  

১২ জুন সোমবার দিনের শেষাংশ রাত ১১:৩০ মিনিটের সময় কেরাণীগঞ্জ আগানগরস্থ নাগরমহল সংলগ্ন বূড়ীগঙ্গায়, ওয়াইজঘাট হতে নাগরমহল পাড় হওয়া অবস্থায় এক শতাধিক (অতিরিক্ত যাত্রী বাহী) যাত্রী সহ ট্রলারটি অপর দিক থেকে আসা বালুবাহী জাহাজের ধাক্কায় তলিয়ে যায়।

অতিরিক্ত যাত্রীবাহী ট্রলারটির দূর্ঘটনাস্থল

ত্রিশ জন বহনের ক্ষমতা সম্পর্ন ট্রলারে যাত্রী সংখ্যা ছিলো চারগুণ প্রায়, অতিরিক্ত যাত্রীবাহী ট্রলারটিতে পুরুষের চেয়ে মহিলা যাত্রী ছিলো বেশী।

ডুবে যাওয়া ট্রলার থেকে প্রানে বেঁচে তীরে উঠে আসা যাত্রী আব্দুল্লাহ

বেঁচে যাওয়া আব্দুল্লাহ

কেরাণীগঞ্জ টুয়েন্টিফোরকে জানান-রাত ১১:৩০ মিনিটে ছেড়ে আসা ট্রলারটি মাঝ নদীতে আসলে বালুবাহী জাহাজের ধাক্কায় তলিয়ে যায়।ট্রলারে পুরুষের চেয়ে মহিলা যাত্রী ছিলো বেশী,মহিলাদের মধ্যে বেশীর ভাগই তলিয়ে গেছে। কিছু লোক সাতরিয়ে পাড় হতে চাইলে  দ্রুতগতিতে ছুটে আসা আরেকটি বালুবাহী ট্রলার তাদের ছত্রভঙ্গ করে,এতে সবাই এদিক ওদিক সাতরাতে থাকে,এ সময় অনেকে সেই ট্রলারের নিচেও পড়ে যায়।

এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আরোও একজন যাত্রী তীরে উঠে আসে,তবে কোন লাশ উদ্ধার হয়নি।

চলছে স্বজনদের কান্নার রোল,আগানগর ইমামবাড়ী এলাকার জিবন বেগম নাগরমহলস্থ বূড়ীগঙ্গার  তীরে কান্না করছে তার আদরের মেয়ে চৈতিকে খুঁজে না পেয়ে,

ভাগ্যহত চৈতির মা-জিবন বেগম

সংসারের অভাব দুর করতে চৈতি সদরঘাটের গ্রেটওয়াল মার্কেটে চাকুরী করত। কাজ শেষে ট্রলারে করে বাড়ী ফিরতে চেয়েছিলো চৈতি,কে জানত যে ঘাতক জাহাজ এসে তার বাড়ী ফেরার আনন্দকে তলিয়ে দিবে বূড়ীগঙ্গার কালো জলে।

কেরাণীগঞ্জ দক্ষিন থানার এস আই ইমতিয়াজ কেরাণীগঞ্জ টুয়েন্টিফোর কে জানান-আমাদের অনেক দেরীতে খবর জানানো হয়েছে,খবর পাওয়া মাত্র আমরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ডুবুরী সহ নিখোঁজ যাত্রীদের উদ্ধারে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।

 

© 2017, কেরাণীগঞ্জ টুয়েন্টিফোর. <<- প্রথম পাতায় ফিরতে ক্লিক করুন http://www.keranigonj24.com

Facebook Comments
মিডিয়াতে শেয়ার করুন
Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

7 − 4 =